"NSP-WB" - সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের
জন্য পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বৃত্তির নির্দেশিকা
১. ভূমিকা:-
রাজ্যের
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে শিক্ষার ক্রমবর্ধমান আকাঙ্ক্ষা পূরণ এবং মেধাবী
শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা ও উৎসাহ প্রদানের মাধ্যমে তাদের আর্থ-সামাজিক ও
শিক্ষাগত উন্নতির সুযোগ বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে রাজ্য সরকার একটি নতুন উদ্যোগ গ্রহণ
করেছে। সরকার "NSP-WB"
সংখ্যালঘু
শিক্ষার্থীদের জন্য পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বৃত্তি চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ২০২৬-২৭ আর্থিক বছর থেকে
সম্পূর্ণরূপে রাজ্য বাজেট থেকে অর্থায়ন করা হবে।
২. বৃত্তির প্রকারভেদ:-
এই
প্রকল্পের অধীনে তিন ধরনের বৃত্তি প্রদান করা হবে:
- প্রি-ম্যাট্রিক
বৃত্তি: নবম
থেকে দশম শ্রেণীর মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য।
- পোস্ট-ম্যাট্রিক
বৃত্তি: একাদশ
শ্রেণী থেকে পিএইচডি পর্যন্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য।
- মেরিট-কাম-মিনস
বৃত্তি: কারিগরি
ও পেশাদার কোর্সে অধ্যয়নের জন্য।
৩. উদ্দেশ্য:-
প্রি-ম্যাট্রিক
বৃত্তির প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষকে তাদের সন্তানদের
স্কুলে পাঠাতে উৎসাহিত করা এবং স্কুল ছুটের হার রোধ করা। পোস্ট-ম্যাট্রিক বৃত্তির
উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করা। পেশাদার ও
কারিগরি কোর্সের জন্য মেরিট-কাম-মিনস বৃত্তির উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের পেশাদার
বা কারিগরি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সহায়তা করা যাতে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ
বৃদ্ধি পায়।
৪. যোগ্যতার মানদণ্ড:-
A. প্রি-ম্যাট্রিক বৃত্তির
জন্য:
- আবেদনকারীকে
অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
- রাজ্য
বা কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো শিক্ষা বোর্ড, কাউন্সিল বা বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা স্বীকৃত
স্কুল বা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত হতে হবে।
- পূর্ববর্তী
চূড়ান্ত পরীক্ষায় কমপক্ষে ৫০% নম্বর বা সমমানের গ্রেড পেয়ে থাকতে হবে।
- পরিবারের
বার্ষিক আয় ১ লক্ষ টাকার বেশি হওয়া চলবে না।
- পশ্চিমবঙ্গের
বাইরের প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তির জন্য যোগ্য বলে
বিবেচিত হবে না।
B. পোস্ট-ম্যাট্রিক বৃত্তির
জন্য:
- আবেদনকারীকে
অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
- রাজ্য
বা কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো শিক্ষা বোর্ড, কাউন্সিল বা বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা স্বীকৃত
স্কুল বা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত হতে হবে।
- পূর্ববর্তী
চূড়ান্ত পরীক্ষায় কমপক্ষে ৫০% নম্বর বা সমমানের গ্রেড পেয়ে থাকতে হবে।
- পরিবারের
বার্ষিক আয় ২ লক্ষ টাকার বেশি হওয়া চলবে না।
- পশ্চিমবঙ্গের
বাইরের প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা যোগ্য হবে না।
C. মেরিট-কাম-মিনস বৃত্তির
জন্য:
- আবেদনকারীকে
অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
- কারিগরি
বা পেশাদার কোর্সে ভর্তি হতে হবে।
- শেষ
উচ্চ মাধ্যমিক বা স্নাতক পরীক্ষায় কমপক্ষে ৫০% নম্বর পেয়ে থাকতে হবে।
- শিক্ষার্থীর
পরিবারের বার্ষিক আয় ২.৫ লক্ষ টাকার বেশি হওয়া চলবে না।
- পশ্চিমবঙ্গের
বাইরের প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা যোগ্য হবে না।
- পশ্চিমবঙ্গের
বাসিন্দা কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও অর্থ নিগম (WBMDFC) দ্বারা
বিজ্ঞাপিত রাজ্যের ভেতরে বা বাইরে অবস্থিত ৮৮টি নামী ও প্রথম সারির
তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরাও আবেদনের যোগ্য।
৫. প্রয়োজনীয় নথিপত্র
(বাধ্যতামূলক):-
- আধার
কার্ড (স্বয়ং বা পিতা-মাতার) অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আধার তালিকাভুক্তি
আইডি।
- শিক্ষার্থী
বা অভিভাবকের ভোটার কার্ড (EPIC)।
- ব্যাংক
অ্যাকাউন্ট পাসবই (আধার লিঙ্কড বা সিডেড ব্যাংক অ্যাকাউন্ট)।
- পূর্ববর্তী
বছরের মূল মার্কশীট।
- গেজেটেড
অফিসার দ্বারা জারি করা পরিবারের বার্ষিক আয়ের শংসাপত্র।
- বোনাফাইড
সার্টিফিকেট।
- বর্তমান
ভর্তির রসিদ বা ফি-র রসিদ।
৬. নির্বাচন
প্রক্রিয়া:-
যোগ্য শিক্ষার্থীদের
মেধার ক্রমানুসারে এবং রাজ্য সরকারের বাজেট বরাদ্দের ওপর ভিত্তি করে বৃত্তি প্রদান
করা হবে। নবীকরণের জন্য আবেদনকারীকে পূর্ববর্তী পরীক্ষায় ৫০% নম্বর পেয়ে থাকতে
হবে।
৭. নবীকরণ আবেদন:-
যেসব
শিক্ষার্থী ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রি-ম্যাট্রিক, পোস্ট-ম্যাট্রিক এবং মেরিট-কাম-মিনস বৃত্তি পেয়েছে
এবং পূর্ববর্তী পরীক্ষায় ৫০% নম্বর পেয়েছে, তারা এই পোর্টালের মাধ্যমে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য
নিজ নিজ বৃত্তি প্রকল্পের অধীনে নবীকরণের যোগ্য হতে পারে।
৮. মঞ্জুরি প্রক্রিয়া:-
আবেদনগুলি
এই উদ্দেশ্যে তৈরি একটি অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট
প্রতিষ্ঠানের নোডাল শিক্ষকদের দ্বারা আবেদনগুলি যাচাই করা হবে। যোগ্যতার মানদণ্ড
অনুযায়ী নির্বাচন করা হবে এবং ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT)-এর মাধ্যমে অর্থ সরাসরি প্রদান করা
হবে।
৯. বৃত্তির হার:-
প্রস্তাবিত
বৃত্তির বার্ষিক হার (টাকায়) নিচে দেওয়া হলো:
- প্রি-ম্যাট্রিক
(নবম ও দশম শ্রেণী): ডে স্কলারদের জন্য মোট ৫,০০০ টাকা (ভর্তি ও টিউশন ফি ৪,০০০ + রক্ষণাবেক্ষণ ভাতা ১,০০০) এবং হোস্টেলারদের জন্য
মোট ১০,০০০
টাকা (ভর্তি ও টিউশন ফি ৪,০০০ + রক্ষণাবেক্ষণ ভাতা ৬,০০০)।
- পোস্ট-ম্যাট্রিক
(একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী): ডে স্কলারদের মোট ৯,৩০০ টাকা এবং হোস্টেলারদের
মোট ১০,৮০০
টাকা।
- একাদশ
ও দ্বাদশ শ্রেণীর (কারিগরি ও বৃত্তিমূলক কোর্স): ডে স্কলারদের ১২,৩০০ টাকা এবং হোস্টেলারদের ১৩,৮০০ টাকা।
- স্নাতক
ও স্নাতকোত্তর স্তর: ডে স্কলারদের ৬,০০০ টাকা এবং হোস্টেলারদের ৮,৭০০ টাকা।
- এম.ফিল
ও পিএইচডি: ডে স্কলারদের ৮,৫০০ টাকা এবং হোস্টেলারদের ১৫,০০০ টাকা।
- মেরিট-কাম-মিনস
(মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং, ম্যানেজমেন্ট, আইন, সিএ, সিএস
ইত্যাদি কোর্স): ডে স্কলারদের ২৫,০০০ টাকা এবং হোস্টেলারদের ৩০,০০০ টাকা।
*মন্তব্য: ভর্তি ও টিউশন ফি প্রকৃত খরচের সাপেক্ষে
প্রদান করা হবে। হোস্টেলারদের মধ্যে সেইসব শিক্ষার্থীরাও অন্তর্ভুক্ত যারা
প্রতিষ্ঠানের হোস্টেলে না থেকে পেয়িং গেস্ট বা ভাড়ায় থাকে। রক্ষণাবেক্ষণ ভাতা
একটি শিক্ষাবর্ষে সর্বোচ্চ ১০ মাসের জন্য প্রদান করা হবে। তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের
ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ কোর্স ফি ফেরত দেওয়া হতে পারে।_
১০. বৃত্তির শর্তাবলী:-
- (i) আবেদনের সময় পরিবারের আয়ের
শংসাপত্র জমা দিতে হবে।
- (ii) নবীকরণ আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে
বৃত্তি বজায় রাখতে পূর্ববর্তী বছরের পরীক্ষায় ৫০% নম্বর পেতে হবে।
- (iii) হোস্টেলার এবং ডে স্কলার
উভয়কেই রক্ষণাবেক্ষণ ভাতা দেওয়া হবে।
- (iv) শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে
নিয়মিত হতে হবে।
- (v) কোনো শিক্ষার্থী স্কুলের
শৃঙ্খলা বা বৃত্তির শর্তাবলী লঙ্ঘন করলে বৃত্তি স্থগিত বা বাতিল হতে পারে।
- (vi) অসত্য তথ্য দিয়ে বৃত্তি
পেয়েছে প্রমাণিত হলে তা অবিলম্বে বাতিল করা হবে এবং প্রদত্ত অর্থ পুনরুদ্ধার
করা হবে।
- (vii) বৃত্তির অর্থ সরাসরি
শিক্ষার্থীর আধার সিডেড ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ডিবিটি মোডে পাঠানো হবে।
- (viii) প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য WBMDFC প্রশাসনিক খরচ হিসেবে
সর্বোচ্চ ২% অর্থ রাখতে পারে।
সংখ্যালঘুদের জন্য
স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট কম মিনস বৃত্তি (SVMCM) নির্দেশিকা
পশ্চিমবঙ্গের মেধাবী সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের
উচ্চশিক্ষায় আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য ২০২৬-২৭ বছরের স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট
কম মিনস বৃত্তি প্রকল্পের অধীনে আবেদন আহ্বান করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী
বাসিন্দা এবং চলতি বছরে রাজ্যের বোর্ড, কাউন্সিল বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উত্তীর্ণ হয়ে
নিয়মিত কোর্সে (পলিটেকনিক সহ) অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট যোগ্যতার
ভিত্তিতে এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারেন।
১. যোগ্যতার মানদণ্ড:-
নতুন আবেদনের জন্য:
- ১)
আবেদনকারীকে can পশ্চিমবঙ্গের
স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে এবং রাজ্যের স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা চালিয়ে
যেতে হবে।
- ২)
শিক্ষার্থীকে চলতি বছরেই WBBSE/WBCHSE/WBBME বা পশ্চিমবঙ্গের কোনো
বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান থেকে উত্তীর্ণ হতে হবে।
- ৩)
সিবিএসই বা আইসিএসই থেকে দশম বা দ্বাদশ উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের পূর্ববর্তী
প্রতিষ্ঠানটি অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত হতে হবে।
- ৪)
পরিবারের বার্ষিক আয় ২.৫ লক্ষ টাকার বেশি হওয়া চলবে না (যুগ্ম বিডিও পদের
নিচে নন এমন গেজেটেড অফিসার দ্বারা প্রত্যয়িত)।
- ৫) শেষ
পরীক্ষায় ন্যূনতম প্রয়োজনীয় নম্বর - উচ্চ মাধ্যমিক থেকে स्नातक স্তরের জন্য ৬০%, স্নাতকোত্তর ও স্নাতক স্তরের অনার্স বিষয়ের
জন্য ৫৩%, এবং
ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে স্নাতক স্তরে ৫৫% হতে হবে।
নবীকরণ আবেদনের জন্য:
- ১)
উচ্চ মাধ্যমিক থেকে স্নাতক স্তর পর্যন্ত - ন্যূনতম ৬০% নম্বর (উভয় সেমিস্টার
মিলিয়ে) থাকতে হবে।
- ২)
স্নাতকোত্তর স্তরের জন্য - ৫০% নম্বর (উভয় সেমিস্টার মিলিয়ে) থাকতে হবে।
- ৩)
শিক্ষার্থীকে প্রথম প্রচেষ্টায় নির্ধারিত নম্বর সহ পূর্ববর্তী শ্রেণী বা
পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে এবং সেমিস্টার কোর্সের ক্ষেত্রে প্রথম
প্রচেষ্টায় সব সেমিস্টার ক্লিয়ার করতে হবে।
২. প্রয়োজনীয়
নথিপত্র:-
- (i) আধার কার্ড (স্বয়ং) বা আধার
এনরোলমেন্ট আইডি।
- (ii) শিক্ষার্থী বা অভিভাবকের
ভোটার কার্ড (EPIC)।
- (iii) শেষ পরীক্ষার মূল মার্কশীট।
- (iv) নির্ধারিত ফরমেটে আয়ের
শংসাপত্র।
- (v) ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পাসবই
(আধার লিঙ্কড বা সিডেড)।
- (vi) প্রতিষ্ঠানের প্রধান (HOI) দ্বারা যাচাইকৃত ইনস্টিটিউট
ভেরিফিকেশন ফর্ম।
৩. বৃত্তির হার এবং
যোগ্যতা তালিকা:-
- উচ্চ
মাধ্যমিক: মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় ৬০% নম্বর থাকলে
প্রতি বছর ১২,০০০
টাকা।
- ডিপ্লোমা
(পলিটেকনিক): নির্দিষ্ট কোর্সের ভিত্তিতে ৬০% নম্বর থাকলে
প্রতি বছর ১৮,০০০
টাকা।
- ডি.এল.এড: উচ্চ
মাধ্যমিকে ৬০% নম্বর থাকলে প্রতি বছর ১২,০০০ টাকা।
- স্নাতক
স্তর: উচ্চ
মাধ্যমিকে সেরা পাঁচটি বিষয়ের ভিত্তিতে ৬০% নম্বর থাকলে প্রতি বছর ১২,০০০ থেকে ৬০,০০০ টাকা।
- স্নাতকোত্তর
স্তর: অনার্সে
৫৩% অথবা ইঞ্জিনিয়ারিং স্নাতকদের ক্ষেত্রে ৫৫% নম্বর থাকলে প্রতি বছর ২৪,০০০ থেকে ৬০,০০০ টাকা।
৪. বৃত্তির শর্তাবলী:-
- (i) আবেদনের সময় পরিবারের
বার্ষিক আয়ের শংসাপত্র জমা দিতে হবে।
- (ii) শিক্ষার্থীদের ক্লাসে নিয়মিত
উপস্থিত থাকতে হবে।
- (iii) নিয়ম বা শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে
বৃত্তি স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে।
- (iv) মিথ্যা তথ্য দিয়ে বৃত্তি
নিলে তা বাতিল হবে এবং টাকা ফেরত নেওয়া হবে।
- (v) বৃত্তির টাকা সরাসরি আধার
লিঙ্কড ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ডিবিটি (DBT) মাধ্যমে পাঠানো হবে।
- (vi) প্রশাসনিক খরচের জন্য WBMDFC সর্বোচ্চ ২% টাকা রাখতে পারে।
Check SVMCM eligibility for Graduation level with
65% marksShow NSP-WB scholarship rates for Post-Matric Hostel students

No comments:
Post a Comment